শিক্ষা ছাড়া কােন ধরণের উন্নয়ন সম্ভব নয়, এ কথা যেমন সত্য তেমনি সত্য জাতির সেরা সম্পদ শিক্ষক সমাজ। কেননা শিক্ষকেরাই তাদের অর্জিত গুনাবলীর মাধ্যমে মননশীল জাতি নির্মাণ এবং সমৃদ্ধ, স্থতিশিীল ও আদর্শিক রাষ্ঠ্র গড়তে অনন্য ভূমিকা রাখে। আমরা সবাই জানি, চট্টগ্রামের এই পটিয়া উপজেলা বিভিন্ন কারণেই ঐতিহ্যমণ্ডিত। অসংখ্য জ্ঞানী গুণী, পণ্ডিত ও বিপ্লবী ব্যক্তির জন্ম দিয়েছে পটিয়ার মাটি। আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ,বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, গবেষক প্রফেসর ডঃ আহমদ শরীফ, যাত্রামোহন সেন, যতীন্দ্র মোহন সেন, মাওলনা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী সহ বহু র্কীতিমান গুনী ব্যক্তির জন্মধন্য পটিয়া। তাছাড়া বিপ্লবী মাষ্টারদা র্সূযসেনের রাজনৈতিক র্কমকান্ডের এক উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে রয়েছে পটিয়া উপজেলা। এই ঐতহ্যিবাহী পটিয়া উপজেলার মুজাফরাবাদ গ্রামে ১৯৮৯ সালে বাবু শ্রী যতীন্দ্র লাল নন্দী নিজের প্রচেষ্টায় দক্ষিন চট্টগ্রামের প্রথম মহলিা ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যা নারী শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত একটি মহৎ উদ্যোগ। নারী শিক্ষার সুযোগ অবারিত করার জন্য অত্র এলাকার বিদ্যোৎসাহী ও শিক্ষানুরাগী, ক্ষণজন্মা ব্যক্তি বাবু শ্রী যতন্দ্রী লাল নন্দী মহোদয়রে উদ্যোগে ১৯৮৯ সালে এ মহতী প্রতিষ্ঠানের সূচনা ছিল এক কালজয়ী পদক্ষেপ। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যাপীঠটি জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে এলাকাকে আলোকিত করার পাশাপাশি জাতিকে । উপহার দিয়েছে অসংখ্য গুণী ব্যক্তিত্ব তথা সুশিক্ষিত নারী এজন্য নপেোলিয়ান বলেছেন যে “আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাকে একটা শিক্ষিত জাতি উপহার দেব”। এ মহান বটবৃক্ষ বিকশিত হোক তার আপন গতিতে, জাতি গড়ার আন্দোলনে এবং প্রত্যকে শিক্ষার্থী এ সরকাররে রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন, ২০৪১ সালরে মধ্যে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। এ মহাবিদ্যালয় এগিয়ে যাবে, বিদ্যালয়ের র্বতমান প্রজন্ম তথা শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের সুন্দর জাতি গঠনের কান্ডারী হবে এটাই প্রত্যাশা করছি।

 

শামসুল হক চৌধুরী, এম, পি
চেয়ারম্যান
গভর্নিং কমিটি